তেমন একটা উন্নতি নেই উত্তর ও মধ্যাঞ্চলের বন্যা পরিস্থিতির

ব্রহ্মপুত্র, যমুনার পানি কমতে শুরু করলেও, তেমন একটা উন্নতি নেই উত্তর ও মধ্যাঞ্চলের বন্যা পরিস্থিতির। এদিকে, পদ্মার পানি স্থিতিশীল আছে। তবে ঢাকা জেলার আশেপাশের নদীর পানি বাড়ছে। একমাস ধরে অব্যাহত বন্যায় দুর্গত এলাকার মানুষের জীবন হয়ে উঠেছে দুর্বিষহ।

আত্রাইসহ নাটোরের অভ্যন্তরীণ নদ-নদীর পানি বিপদসীমার উপরে আছে। তলিয়ে গেছে আঞ্চলিক সড়ক। বানভাসীরা আছে দু:সহ যন্ত্রণায়। ত্রাণও পাচ্ছেন না সিংড়া পৌরসভার অনেকে। সিরাজগঞ্জে যমুনার পানি কিছুটা কমেও আছে বিপদসীমার অনেক উপরে। ফলে জেলার সার্বিক বন্যা পরিস্থিতি অপরিবর্তিতই আছে। এদিকে, ঈদ আনন্দ তো দূরে থাক, বেঁচে থাকাটাই দুরূহ হয়ে উঠছে সিরাজগঞ্জের সাড়ে তিন লাখেরও বেশি বানভাসীর।

কুড়িগ্রামে বন্যার পানি কমতে শুরু করছে। বিভিন্ন জায়গায় আশ্রয় নেয়া বন্যার্তদের অনেকেই চেষ্টা করছেন নিজ ঘরে ফিরতে। গাইবান্ধার সার্বিক বন্যা পরিস্থিতি অপরিবর্তিত। এদিকে, জেলার মহিমাগঞ্জের বোচাদহ গ্রামে বাঙালী নদীর পানির চাপে বাঁধ ভেঙ্গে প্লাবিত হয়েছে নতুন নতুন এলাকা। গাইবান্ধা সদরের কামারজানিতে ব্রহ্মপুত্র নদের ভাঙনও তীব্র আকার নিয়েছে।

জামালপুরের বন্যা দীর্ঘায়িত হওয়ায় দুর্ভোগ বেড়েই চলছে বানভাসীদের। একমাস ধরে পানিবন্দি এসব মানুষের কেউ কেউ অল্প-স্বল্প ত্রাণ পেলেও, বেশিরভাগেরই দিন কাটছে খেয়ে না খেয়ে। মধুমতি নদীর পানি অস্বাভাবিকভাবে বাড়ছে। ফলে গোপালগঞ্জের নিচু এলাকাগুলো প্লাবিত হয়েছে। শতাধিক বাড়ি-ঘরে পানি উঠেছে। তলিয়ে গেছে রাস্তা-ঘাট।

বুধবার বেলা ১২টা পর্যন্ত কুড়িগ্রাম, গাইবান্ধা, বগুড়া, জামালপুর এবং নওগাঁ জেলার বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি হতে পারে। অপরদিকে, নাটোর, সিরাজগঞ্জ, টাঙ্গাইল, মানিকগঞ্জ, মুন্সিগঞ্জ, ফরিদপুর, মাদারীপুর, চাঁদপুর, রাজবাড়ি, শরীয়তপুর, ঢাকা, নারায়ণগঞ্জ এবং ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বন্যা পরিস্থিতি অপরিবর্তিত থাকার আভাস দিয়েছে বন্যা সতর্কীকরণ কেন্দ্র।

 

You may also like

বিশেষ ব্যবস্থায় সৌদি আরবে চলছে হজের আনুষ্ঠানিকতা

করোনাভাইরাসের কারণে বিশেষ ব্যবস্থায় সৌদি আরবে চলছে হজের