কোথাও কোথাও বন্যা পরিস্থিতির সামান্য উন্নতি

নদীর পানি কমতে শুরু করায় উত্তরে বন্যা পরিস্থিতি কিছুটা উন্নতির দিকে। তবে, দুর্ভোগ একটুও কমেনি বন্যার্তদের। খাদ্য সঙ্কট ও পানিবাহিত রোগ বালাইয়ের সাথে লড়তে হচ্ছে তাদের। বিভিন্ন জায়গায় পানি নামার সাথে সাথে তীব্র ভাঙনে দিশেহারা নদী তীরবর্তীরা। এদিকে, মধ্যাঞ্চলের বন্যা পরিস্থিতি আগের মতোই। কুড়িগ্রামে কমতে শুরু করেছে ব্রহ্মপুত্র, তিস্তা, ধরলা, দুধকুমারসহ ১৬টি নদ-নদীর পানি। বন্যা পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হলেও ৫৬টি ইউনিয়নের প্রায় সাড়ে তিন লাখ মানুষ এখনো দূর্ভোগে। দফায় দফায় বন্যায় গবাদী পশুর খাদ্য সংকট এবং রোগ ব্যাধি নিয়ে বাড়তি বিপাকে বানভাসীরা।

সিরাজগঞ্জে যমুনার পানি কমলেও এখনও বিপদসীমার উপরে। প্রায় দেড়মাস ধরে পানিবন্দি সাতটি উপজেলার ৬৪ ইউনিয়নের পাঁচ লাখেরও বেশি মানুষ। বন্যা ও ভাঙনে নিঃস্বদের মানবেতর জীবন কাটছে খোলা আকাশের নিচে। গাইবান্ধায় ব্রহ্মপুত্র ও ঘাঘট নদীর পানি এখনো বিপদ সীমার উপরে। তলিয়ে গেছে নতুন নতুন এলাকা। এখনো ঘরে ফিরতে পারেনি অনেক পরিবার। তারওপর দেখা দিয়েছে ডায়রিয়া, চর্মরোগসহ নানা অসুখ-বিসুখ। এদিকে, গোপালগঞ্জে তলিয়ে গেছে আরো কিছু নতুন এলাকা। ২০টি গ্রামের প্রায় দুই হাজার পরিবার আগে থেকেই পানিবন্দী।

You may also like

২৯ সেপ্টেম্বর, মঙ্গলবার ২০২০

সকাল ৮:৩০ : অনুষ্ঠান ‘দিন প্রতিদিন’। বেলা ১১:০২