নদ- নদীর পানি কমলেও নিজ বাড়িতে ফেরেনি দূর্গতরা

উত্তরাঞ্চলে নদ- নদীর পানি কমলেও এখনো নিজ বাড়িতে ফিরতে পারেননি অনেকেই। খাবার সংকটসহ বিভিন্ন চর্মরোগ দেখা দিয়েছে বন্যাদুর্গত এলাকার মানুষের। কুড়িগ্রামে ব্রহ্মপুত্র, তিস্তা, ধরলা, দুধকুমারসহ ১৬টি নদীর পানি বিপদসীমার নীচ দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে। ফলে কুড়িগ্রামে সার্বিক বন্যা পরিস্থিতির আরও উন্নতি হয়েছে। চরাঞ্চলের ঘর-বাড়ি থেকে নেমে গেছে বন্যার পানি। তবে ক্ষতিগ্রস্ত ঘর-বাড়িতে এখনও ফিরতে পারেননি বাঁধ ও পাকা সড়কে আশ্রয় নেয়া অনেক পরিবার। দ্বিতীয় দফা বন্যায় গাইবান্ধার দুর্গত এলাকায় পানিবন্দিদের চর্মরোগসহ নানা রোগ ব্যাধি দেখা দিয়েছে।

ক্লিনিক গুলো বন্ধ থাকায় কোনো রোগেরই ওষুধ পাচ্ছেন না তারা। সুচিকিৎসা না পেয়ে নিজেদের ঘরোয়া ব্যবস্থায় এসব রোগ থেকে মুক্তি পাওয়ার চেষ্টা করছেন তারা। গাজীপুরের তুরাগ বংশী ও ঘাটাখালী নদীর পানি ক্রমশ কমে আসলেও এখনও প্রবাহিত হচ্ছে বিপদ সীমার ওপর দিয়ে। পানিবন্দী গাজীপুর মহানগরের ২২ টি ওয়ার্ড ও কালিয়াকৈর উপজেলার ১৮২টি গ্রামের মানুষ। বিশুদ্ধ পানি ও খাদ্য সঙ্কটে তারা।

গোপালগঞ্জে মধুমতি বিলরুট চ্যানেলের পানি বিপদসীমা অতিক্রমের পর্যায়ে রয়েছে। ফলে গোপালগঞ্জ সদর, মুকুসুদপুর, কাশিয়ানী ও কেটোলীপাড়া উপজেলার বিলবেষ্টিত নিম্নাঞ্চলের নতুন নতুন এলাকা প্লাবিত হয়েছে। পানিবন্দি হয়ে পড়েছে জেলার ৩০ টি গ্রামের অন্তত তিন হাজার পরিবার। টাঙ্গাইলে যমুনা নদীর পানি কিছুটা কমলেও এখনো বিপদসীমার ওপর দিয়ে বইছে। এখনো জেলার ১২টি উপজেলার মধ্যে ১১টি উপজেলার মানুষ পানিবন্দি হয়ে মানবেতর জীবন-যাপন করছেন।

You may also like

সিলেটে গণধর্ষণের আসামি মাহফুজ গ্রেফতার

সিলেট এমসি কলেজ ছাত্রাবাসে গৃহবধূ গণধর্ষণ মামলায় মাবুবুর