দ্বিতীয় দিনের মতো চলছে নৌযান শ্রমিকদের ধর্মঘট

নৌযান শ্রমিকদের ধর্মঘটে চট্টগ্রাম বন্দরের বহিঃনোঙরে এবং বিভিন্ন ঘাটে আটকা পড়েছে ২২লাখ টন পণ্য। এতে বড় ক্ষতির শিকার শিল্পের কাঁচামাল ও ভোগ্যপণ্য আমদানিকারকরা। একদিন বহিঃনোঙরে বড় জাহাজ থেকে ছোট জাহাজে পণ্য খালাস না হলে প্রতিটি জাহাজের ভাড়া বাবদ ১০ থেকে ১২ হাজার ডলার ক্ষতিপূরণ গুনতে হয় আমদানিকারকদের। চট্টগ্রাম বন্দরের বর্হিনোঙ্গরের মাদার ভেসেল থেকে নদীপথে এক হাজার লাইটার জাহাজ পরিচালনা করছে ওয়াটার ট্রান্সপোর্ট সেল-ডব্লিউটিসি।

তাদের সাথে দীর্ঘদিন দেনদরবার করেও খোরাকি ফ্রিসহ ১১দফা দাবি আদায় না হওয়ায় সোমবার রাত ১২টা থেকে চলছে এ ধর্মঘট। তাদের ধর্মঘটের চট্টগ্রাম বন্দরের বর্হিনোঙ্গরে মাদার ভেসেল থেকে লাইটার জাহাজে পণ্য খালাস বন্ধের পাশাপাশি কর্ণফুলী নদী তীরের ১৪টি ঘাটেও পণ্য খালাস বন্ধ রয়েছে। এদিকে, এই কর্মবিরতীর পক্ষে সমর্থন দিয়েছে মোংলা নৌযান শ্রমিকরা। ফলে বন্দরে অবস্থানরত ১৩টি বাণিজ্যিক জাহাজের পণ্য খালাস বন্ধ রয়েছে বলে জানিয়েছেন মোংলা বন্দরের হারবার বিভাগ।

You may also like

গোল্ডেন মনিরের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি এলাকাবাসির

গোল্ডেন মনিরের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও তার বাবার নামে