বনানী কবরস্থানে চির নিদ্রায় শায়িত ব্যারিস্টার রফিক-উল হক

চির নিদ্রায় রাজধানীর বনানী কবরস্থানে শায়িত হলেন সুপ্রিম কোর্টের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী ব্যারিস্টার রফিক উল হক। শনিবার সকালে আদ দ্বীন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তিনি। তাঁর মৃত্যুতে শোক জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি আব্দুল হামিদ, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেন। বাদ জোহর বায়তুল মোকাররাম নামাজে জানাযা শেষে প্রবীণ আইনজীবী ব্যারিস্টার রফিকুল হকের মরদেহ নেয়া হয় সুপ্রীম কোর্ট প্রাঙ্গনে। এখানেই জীবনের ৫০ বছর আইন পেশায় নিয়োজিত ছিলেন তিনি। যা নাড়ীর সম্পর্ক থেকেও কম নয়। তাইতো সাবেক এ্যাটর্নী জেনারেলকে শেষ বারের মত দেখতে ছুটে আসেন রাজনীতিবিদসহ প্রবীণ ও নবীন আইনজীবীরা।

সুপ্রীম কোর্ট প্রাঙ্গনে বেলা দুটায় তৃতীয় নামাজে জানাযা হয় রফিকুল হকের। এসময় অনেকে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন। দীর্ঘ দিন ধরেই শারিরীক নানা রোগে ভূগছিলেন প্রবীণ আইনজীবী ব্যারিস্টার রফিক উল হক। গত ১৫ অক্টোবর তাকে ভর্তি করা হয়েছিলো রাজধানীর আদ দ্বীন হাসপাতালে। তিন দিন আগে তাঁর শারিরীক অবস্থার অবনতি হলে নেয়া হয় আইসিইউতে। শনিবার সকাল সাড়ে আটটায় মারা যান রফিকুল হক।

চিকিৎসক জানান, ৮৫ বছর বয়স্ক রফিকুল হক বার্ধক্যজনিত কারণেই মারা যান। একমাত্র ছেলে বিদেশে অবস্থান করছেন। স্বজনরা জানান, ছেলের অনুমতি নিয়েই দাফন করা হয়েছে রফিকুল হককে। মৃত্যুর খবরে হাসপাতালে ছুটে আসেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেন, রফিকুল হক গণমানুষের আইনজীবী ছিলেন।

আদ দ্বীন হাসপাতাল জামে মসজিদে প্রথম নামাজে জানাযা হয় ব্যারিস্টার রফিকুল হকের। তারপর মরদেহ এ্যাম্বুলেন্সে করে নেয়া হয় বাসভবন পুরানা পল্টনে। শেষ বারের মতো সিনিয়র আইনজীবী রফিকুল হককে দেখতে বাসভবনে ছুটে আসেন অসংখ্য মানুষ । তৃতীয় দফা নামাজে জানাযা শেষে স্ত্রীর কবরের পাশে বনানীতে চির নিদ্রায় শায়িত করা হয় সর্ব শ্রদ্ধেয় ব্যারিস্টার রফিকুল হককে।

জিয়া খান, বাংলাভিশন, ঢাকা।

You may also like

কবি আবদুল হাই মাশরেকীর ৩২তম মৃত্যুবার্ষিকী কাল

বাংলা কাব্য সাহিত্যের মাটি ও মানুষের কবি আবদুল