সরকার না চাইলে খালেদা জিয়ার মুক্তি অসম্ভব : আইনজীবী

একবছর যাবৎ কারাগারে বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়া। তাঁর বিরুদ্ধে ৩৬টি মামলা চলমান। জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলায় গত বছরের এ দিনে কারাগারে নেয়া হয় তাকে। এরপর নাশকতা, মনহানিসহ বেশ ক’টি মামলায় নতুন করে গ্রেফতার দেখানো হয় খালেদা জিয়াকে। সরকারের স্বদিচ্ছা ছাড়া বিএনপি চেয়ারপার্সনের মুক্তি সম্ভব নয় বলে মনে করেন তার আইনজীবীরা। ৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৮। জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলায় বেগম খালেদা জিয়াকে ৫ বছরের কারাদণ্ড দেয় বকশিবাজারে স্থাপিত বিশেষ আদালত। পরে উচ্চ আদালত এই মামলায় বিএনপি চেয়ারপার্সনের সাজা বাড়িয়ে ১০ বছর করে। এছাড়া জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলায় বেগম জিয়াকে ৭ বছরের সাজা দেয়া হয়।  কারাগারে যাবার দেড় মাসের মাথায় জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলায় জামিন মিললেও বাধ সেধেছে আরো ৩৫টি মামলা।  একটি মামলায় জামিন হলে সামনে এসেছে অন্য মামলা। এভাবেই পেরিয়ে গেছে এক বছর।

মাঝে অসুস্থতার কারণে চিকিৎসার জন্য ২ দফা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল হাসপাতালে আনা হয় বিএনপি চেয়ারপার্সনকে। এরমধ্যে দ্বিতীয়বার হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন তিনি। আইনীভাবে সুযোগ থাকলেও বেগম জিয়ার মুক্তি না পাবার পেছনে সরকারি হস্তক্ষেপের অভিযোগ তার আইজীবীর। বেগম জিয়াকে কারাগারে নেয়ার পর থেকে তার মুক্তির জন্য মানববন্ধন, কালোপতাকা প্রদর্শন, অবস্থান কর্মসূচি,অনশন, স্মারকলিপিসহ নিয়মতান্ত্রিক কর্মসূচি পালন করে বিএনপি। এই মুহুর্ত্বে মানবিক দিক বিবেচনায় নিয়ে বেগম জিয়ার মুক্তি চাইলেন রাষ্ট্রবিজ্ঞানী অধ্যাপক এমাজউদ্দীন আহমদ। ৩০ ডিসেম্বর জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর এখন বেগম খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে চলমান নাইকো এবং গ্যাটকো মামলার কার্যক্রম দ্রুততার সাথে চলছে বলে মন্তব্য করেন তার আইনজীবীরা।

You may also like

বিচার বিভাগ সরকারের হাতে বন্দি : সেলিমা রহমান

বিচার বিভাগ সরকারের হাতে বন্দি থাকায় বেগম খালেদা