ক্ষুদ্র ঋণ নিয়ে অনেকেই বাহবা কুড়ালেও তা ছিলো দারিদ্র লালন: প্রধানমন্ত্রী

যেখানে সেখানে শিল্পপ্রতিষ্ঠান করে; কৃষি জমি নষ্ট করা ঠেকাতে ভুমি ব্যবহার নীতি মালা তৈরি করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। দারিদ্র মুক্ত দেশ গড়ার কথা জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশকে আর কেউ পেছনে টেনে ধরতে পারবে না। শেখ হাসিনা বলেন, ক্ষুদ্র ঋণ নিয়ে অনেকেই বাহবা কুড়ালেও তা ছিলো ব্যক্তিগত অর্জনের জন্য দারিদ্র লালন পালন করা।

গত দশ বছরে দারিদ্র্যের হার ২১ শতাংশে নেমেছে আর গেল ২৫ বছরে অতিদারিদ্রের হার ৪৪ শতাংশ থেকে কমে হয়েছে ১১ শতাংশ। টেকসই উন্নয়ন লক্ষমাত্রা অর্জনে ক্ষুদ্র উদ্যোক্তারাও যুক্ত হচ্ছে জাতীয় অর্থনীতিতে। যেখানে ৭০ শতাংশ মানুষ আত্মকর্মসংস্থানে নিয়োজিত। আর পল্লী কর্ম সহায়ক ফাউন্ডেশনের আওতায় ১ কোটি ৪০ লাখ খানা থেকে উঠে আসছে স্বাবলম্বিতা ও সাফল্যের গল্প।

বৃহস্পতিবার শেরে বাংলা নগরে বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে নতুন ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের নিয়ে সপ্তাহ ব্যাপী মেলার উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। দারিদ্র্য বিমোচনে বিশেষ অবদান রাখায় মতিয়া চৌধুরীকে দেয়া হয় আজীবন সম্মাননা।  দিক নির্দেশনামুলক বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী, ক্ষুদ্র ঋণের উচ্চসুদের হারের সমালোচনা করে, টেকসই উন্নয়ন লক্ষমাত্রা অর্জনে সরকারের নানা পরিকল্পনার চিত্র তুলে ধরেন।  কৃষি জমি রক্ষায় ভূমি ব্যবহারে নীতিমালা তৈরি করার কথা জানান প্রধানমন্ত্রী।  দারিদ্র-ক্ষুধা দূর করার অগ্রযাত্রায়,পুষ্টি নিশ্চিত করার উপরও গুরুত্বারোপ করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

 

You may also like

ভারতের সাথে সুসম্পর্কের কোনো টানাপোড়েন চায় না বাংলাদেশ: কাদের

ভারতের নাগরিকত্ব সংশোধন বিলের বিষয়টি সরকার গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ