এবছরই প্রথম মালয়েশিয়ায় কর্মী পাঠানোর সব কার্যক্রম হবে অনলাইনে। ভিসার মেয়াদ শেষ হলেই সয়ক্রিয়ভাবে সেই তথ্য চলে যাবে নিয়োগদাতা প্রতিষ্ঠানের কাছে।

এবছরই প্রথম মালয়েশিয়ায় কর্মী পাঠানোর সব কার্যক্রম হবে অনলাইনে। ভিসার মেয়াদ শেষ হলেই সয়ক্রিয়ভাবে সেই তথ্য চলে যাবে নিয়োগদাতা প্রতিষ্ঠানের কাছে।

এবছরই প্রথম মালয়েশিয়ায় কর্মী পাঠানোর সব কার্যক্রম হবে অনলাইনে। ভিসার মেয়াদ শেষ হলেই সয়ক্রিয়ভাবে সেই তথ্য চলে যাবে নিয়োগদাতা প্রতিষ্ঠানের কাছে। তাই কোন কর্মীই আর অবৈধ হবে না। সেই সাথে কর্মীদের কোন লেভি দিতে হবে না মালয়েশিয়ার সরকারকে। তবে সরকার যে অভিবাসন ব্যয় নির্ধারণ করেছে তা আরও বাড়ানোর দাবি জানিয়েছে বায়রা।

বহুল আলোচিত মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার খুলে যাওয়ায় সেদেশে বছরে ৫ থেকে ৭ লাখ কর্মী পাঠানোর আশা করছে সরকার। তবে এখনো অভিবাসন ব্যয়সহ নানা জটিলতা রয়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। যদিও  সব কাজ অনলাইন পদ্ধতিতে হওয়ায় এবার কর্মীরা প্রতারিত হবে না বলে মনে করছেন  জনশক্তি ও কর্মসংস্থান প্রশিক্ষণ ব্যুরো- বিএমইটির মহাপরিচালক।

এছাড়াও মালয়েশিযার শ্রমবাজারে বাংলাদেশি কর্মীরা পাচ্ছেন নতুন কিছু সুবিধা। এখন থেকে  কর্মীদের ভিসার মেয়াদ শেষ হলে স্বয়ংক্রিয়ভাবে সেই তথ্য পৌঁছে যাবে নিয়োগদাতা প্রতিষ্ঠানের কাছে। মালয়েশিয়ার সরকারকে কোন বাৎসরিক বা মাসিক লেভি দিতে হবে না কর্মীদের।
কর্মীদের নিরাপত্তায় ইন্স্যুরেন্স হবে শতভাগ অনলাইন ভিত্তিক।
এবং কর্মীরা তাদের অভিবাসন ব্যয়ের টাকা জমা দিবে ব্যাংকের মাধ্যমে।

বেসরকারি জনশক্তি রফতানিকারকদের সংগঠন -বায়রা মনে করছে, কর্মীদের ভোগান্তি কমাতে অভিবাসন ব্যায় ৩৫ হাজার টাকা থেকে আরও বাড়ানো প্রয়োজন।

জানা গেছে, টেক্সটাইল, বনায়ন, নির্মাণসহ বিভিন্ন খাতে কর্মীদের জন্য সর্বনিম্ন বেতন হবে প্রায় বিশ হাজার টাকা।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরও

১৪ মার্চ, মঙ্গলবার ২০১৭

বেলা ১২:০৫ বাংলা সিনেমা বিকেল ৫:২৫ পরীক্ষার প্রস’তিমূলক