১ বছরেরও বেশি সময় ধরে বেতন পাচ্ছেন না মালদ্বীপে অধিকাংশ বাংলাদেশি কর্মী

৩ মাস থেকে ১ বছরেরও বেশি সময় ধরে বেতন পাচ্ছেন না মালদ্বীপে অধিকাংশ বাংলাদেশি কর্মী। তাদের বৈধ কোন কাগজপত্র না থাকায় এর কোন সমাধানও হচ্ছে না। তাই এখন কাজের খোঁজে মালদ্বীপের রাস্তায় ঘুরছেন অনেক প্রবাসী। দেশে আসতে চাইলেও জেল খেটে অথবা ১০ বছরের জন্য ব্ল্যাক লিস্টেড হতে হয় বাংলাদেশি কর্মীদের।

দূতাবাস থেকে ভিসা সত্যায়ন না নেয়া, দালালের দৌরাত্ম ও দায়িত্বরতদের অনিয়মের কারনেই মালদ্বীপে বাংলাদেশিদের এই ভোগান্তি। মালদ্বীপ থেকে ফিরে মিরাজ হোসেন গাজীর রিপোর্ট। আমিল্লা বাজার। অর্থ বেকার কর্মীদের বাজার। মালদ্বীপের রাজধানী মালে সিটির মজিলা মাগু বা মজিলা সড়ককে এখন সবাই চেনেন আমিল্লা বাজার নামে।

নানা প্রলোভনে বাংলাদেশিদের মালদ্বীপ এনে পাসপোর্ট নিয়ে রাস্তায় ফেলে চলে যায় দালালরা। অচেনা শহর, দিশেহারা সরলমনা বাংলাদেশিদের ভরসা তাই এই আমিল্লা বাজার। শহরে এভাবে কাজ খুঁজতে পুলিশের কাছে ধরা পড়ার ভয় আছে। আবার অনেকসময় কাজ পেলেও কয়েকমাসের বেতন বাকি রেখে দিয়েই পুলিশের ভয় দেখিয়ে তাড়িয়ে দেয়া হয় অনেককে।

শহর থেকে পালিয়ে বাংলাদেশিরা আশ্রয় নেয় সাগর অথবা কোন দ্বীপে। এমনই একটি দ্বীপ ভিলিগিলিতে পাওয়া যায় শ’খানেক বাংলাদেশিকে। এদের সবাই কাজ করেন সাগরে, পন্যবাহী ছোট নৌযানে। খাওয়া, ঘুমানো সবই ভাসতে ভাসতে। এরা যেখানেই কাজে গিয়েছেন, বেতন পাননি কয়েক মাস ধরে।

এসব কর্মীদের বিষয়ে মালদ্বীপে বাংলাদেশ দূতাবাস বলছে, ভিসাগুলোতে সত্যায়ন নেয়া হলে নিয়োগদাতাদের জবাবদিহিতায় আনা যেতো। দুই থেকে সাড়ে তিন লাখ টাকা খরচ করে মালদ্বীপ এসে চার-পাঁচ বছরেও খরচই উঠাতে পারেননি অনেকেই। তাই দেশে যাওয়ারও মুখ নেই তাদের।

You may also like

সাভারে ট্রাকচাপায় গার্মেন্টস শ্রমিকের পা বিচ্ছিন্ন

সাভারে ট্রাকচাপায় এক গার্মেন্টস শ্রমিকের পা বিচ্ছিন্ন হয়ে