মালদ্বীপে কর্মী পাঠাতে সক্রিয় প্রতারকচক্র

দু’দেশের সরকারি হিসাবে মালদ্বীপে বাংলাদেশ থেকে কোন কর্মী যাচ্ছে না। কিন্তু নভেম্বর মাসেই সরকারি ছাড়পত্র নিয়ে প্রায় তিনশ কর্মী মালদ্বীপ গিয়েছে।এছাড়াও দালালের মাধ্যমে প্রতিদিন যাচ্ছে শতাধিক বাংলাদেশি। মালদ্বীপে বাংলাদেশ দূতাবাস বলছে, তাদের সত্যায়ন ছাড়াই বিএমইটি ছাড়পত্র দেয়ায় বাড়ছে অনিয়ম।

১৯ নভেম্বর। সেদিন শ্রীলংকান এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটে প্রায় অর্ধশত বাংলাদেশি কর্মী প্রবেশ করেন মালদ্বীপে। মালদ্বীপ এয়ারপোর্টের নতুন কর্মীদের জন্য বিশেষ ইমিগ্রশন বুথ দিয়ে দেশটিতে প্রবেশ করেন তারা। যদিও দু’দেশের সরকারি তথ্য, বাংলাদেশ থেকে কোন কর্মী মালদ্বীপে যাচ্ছে না।

তাহলে এসব কি? এভাবে প্রকাশ্যে অনিয়মের মাধ্যমে মালদ্বীপে কর্মী পাঠিয়ে তাদের ঠেলে দেয়া হচ্ছে অনিশ্চয়তায়। পরিনতি, কাজ নেই, কাজ পেলেও অবৈধতার অযুহাতে বেতন নেই। মালদ্বীপে বাংলাদেশ কমিউনিটির নেতৃবৃন্দ বলছেন, দুদেশের সরকার অস্বীকার করলেও কর্মী আসছে প্রতিদিনই। এই বাজারটিও অনিয়মের মাধ্যমে দখলের চেষ্টার অভিযোগ তাদের।

মালদ্বীপে বাংলাদেশ দূতাবাস বলছেন, দেশটিতে বাংলাদেশি কর্মীরা প্রবেশ করছেন সম্পুর্ণ অবৈধ উপায়ে। বৈধ কাগজপত্র না থাকায় মালদ্বীপে বাংলাদেশিদের গুরুত্ব নেই। মালদ্বীপে যে কজন ভালো আছেন তারাও আছেন ইমেজ সংকটে। ভুক্তভোগি প্রবাসীদের আভিযোগ, কর্তৃপক্ষের অনিয়মের কারনেই নষ্ট হচ্ছে সম্ভাবনাময় মালদ্বীপের শ্রমবাজার।

 

You may also like

সিনহার দুর্নীতির তদন্ত প্রশ্নে বিব্রত দুদক চেয়ারম্যান

দুর্ণীতি দমন কমিশনের চেয়ারম্যান ইকবাল মাহমুদ বলেছেন, সুনির্দিষ্ট