করোনাভাইরাসের প্রভাবে কমেছে রেমিট্যান্স প্রবাহ

করোনাভাইরাসের প্রভাবে কমেছে রেমিটেন্স প্রবাহ, বাড়ছে কর্মী ছাটাই ও প্রবাসী শ্রমিকদের ফেরত আসার ঢল।অভিবাসন খাতের এই ক্ষতি পোষাতে করোনা পরবর্তিতে নতুন করে দক্ষ কর্মী পাঠানোর দিকে গুরুত্ব দেয়ার কথা জানিয়েছে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রনালয়। করোনা পরিস্থিতিতে দুই মাসেরও বেশি সময় লকডাউন প্রায় গোটা বিশ্ব। বিশেষ করে বাংলাদেশের বড় শ্রমবাজারগুলো লাখ লাখ প্রবাসী বেকার‍। আছেন অর্থ কষ্টেও। অনেক দেশে খাবার সংকটেও প্রবাসী কর্মীরা।

এই পরিস্থিতিতে আয় নেই, তাই দেশে টাকা পাঠাতে পারছেন না প্রবাসীরা। ফলে সার্বিক রেমিট্যান্স প্রবাহ কমছে আশঙ্কাজনক হারে। চলতি বছরে প্রতি মাসেই কমছে রেমিট্যান্সের পরিমান। গেলো বছরের এপ্রিলে প্রবাসীরা পাঠায়েছিলেন ১৪৩ কোটি ৪৩ লাখ ডলার। এবছর এপ্রিলে ২৪ শতাংশ কমে রেমিট্যান্স এসেছে ১০৮ কোটি ৬৪ লাখ ডলার। গেলো বছরের মে মাসে ১৭৪ কোটি ডলার আসলেও এবার ঈদের মাসেও সেই পরিমান রেমিট্যান্স না আসার আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

রেমিট্যান্সের সাথে ধস নেমেছে গোটা বৈদেশিক কর্মসংস্থান খাতে। করোনার প্রাদুর্ভাবের আগে-পরে মিলিয়ে ১০ টি দেশ থেকে এরইমধ্যে অন্তত এক লাখ কর্মী ফেরত এসেছে। আরও এক লাখের বেশি কর্মী দেশে ফেরার আশঙ্কা করছে মন্ত্রণালয়। এ খাতকে টিকিয়ে রাখতে নতুন করে পরিকল্পনা নেয়ার তাগিদ সংশ্লিষ্টদের । দেশে দেশে বিকল্প কর্মসংস্থান তৈরিতে দূতাবাসগুলোকে এখনই কার্যকর পদক্ষেপের কথা বলছেন সংশ্লিষ্টরা। মিরাজ হোসেন গাজী, বাংলাভিশন,ঢাকা।

রেমিট্যান্স প্রবাহ ২০২০
জানুয়ারি- ১৬৩ কোটি ৮৪ লাখ ডলার
ফেব্রুয়ারি- ১৪৫ কোটি ২২ লাখ ডলার
মার্চ- ১২৭ কোটি ৬২ লাখ ডলার
এপ্রিল- ১০৮ কোটি ৬৪ লাখ ডলার

রেমিট্যান্স এপ্রিল ২০১৯ ও ২০২০
২০১৯- ১৪৩ কোটি ৪৩ লাখ ডলার
২০২০- ১০৮ কোটি ৬৪ লাখ ডলার

You may also like

পেঁয়াজের দাম আরো বাড়তে পারে

রাজধানীর বাজারে দেশি-বিদেশি সব পেঁয়াজের দামই এখনো চড়া।