পরমাণু যুগে প্রবেশ করতে যাচ্ছে বাংলাদেশ

পাবনায় দ্রুতগতিতে এগিয়ে চলছে রুপপুর পারমানবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ কাজ। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ৩০ নভেম্বর উদ্বোধন করতে যাচ্ছেন প্রকল্পের ‘উৎপাদন কেন্দ্র’ এর মূল নির্মাণ কাজ। প্রকল্প সংশ্লিষ্টরা জানান, সর্বোচ্চ নিরাপত্তার বিষয়টি সর্বাধিক গরুত্ব দিয়ে পরীক্ষা-নীরিক্ষা শেষেই মুল কাজ শুরু হতে যাচ্ছে।

অন্যদিকে, এই প্রকল্প স্থাপনের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ নতুন যুগে প্রবেশ করবে এমন মন্তব্য পাবনাবাসীর। দেশের সবচেয়ে ব্যয়বহুল এই বিদ্যুৎকেন্দ্র নিয়ে নানা জল্পনা-কল্পনা থাকলেও, পাবনার রূপপুর পদ্মার পাড়ে রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় পারমানবিক শক্তি কর্পোরেশনের নেতৃত্বে এগিয়ে চলছে কাজ।

নির্ধারিত সময়েই শেষ হয়েছে ৫ হাজার ৮৭ কোটি ৯ লাখ টাকা ব্যয়ে প্রকল্পের প্রথম ধাপের কাজ। এরিমধ্যে শুরু হয়েছে দ্বিতীয় বা শেষ ধাপের কাজ। আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থার প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধানেই বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপনের কাজ চলছে। সংশ্লিষ্টরা জানান, ৬৪ রকমের পরীক্ষা-নীরিক্ষা শেষে এই পারমানবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণের জন্য প্রস্তুত করা হয়েছে।

গত জুলাই মাসে এ প্রকল্প সরেজমিনে পরিদর্শন করে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন সংস্থাটির মহাপরিচালক ইউকিয়া আমানো। সব রকম সমীক্ষার শেষে এরমধ্যে কেন্দ্র নির্মাণে পাওয়া গেছে সাইট লাইসেন্স। আগামী বৃহস্পতিবার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা প্রকল্পের মুল কাজ রিঅ্যাক্টর বিল্ডিং বা উৎপাদন কেন্দ্র নির্মাণ উদ্বোধন করবেন।

রূপপুর প্রকল্পে রিঅ্যাক্টর ঘিরে রয়েছে পাঁচস্তরের নিরাপত্তা বলয়। এদিকে, সব জল্পনা কল্পনা শেষে পারমানবিক বিদ্যুৎ প্রকল্পের মুল কাজ শুরু হওয়ায় উচ্ছ্বসিত পাবনাবাসী। ১ লাখ ১৮ হাজার ১৮০ কোটি ৮১ লাখ টাকা ব্যয়ে রুপপুর পারমানবিক বিদ্যুৎ প্রকল্পের কাজ শুরু হয় ২০১৩ সালে। প্রকল্প শেষ হবে ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে। দুই ইউনিটের এ বিদ্যুৎ কেন্দ্র থেকে উৎপাদন হবে ২ হাজার চারশ’ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ।

 

You may also like

সিনহার দুর্নীতির তদন্ত প্রশ্নে বিব্রত দুদক চেয়ারম্যান

দুর্ণীতি দমন কমিশনের চেয়ারম্যান ইকবাল মাহমুদ বলেছেন, সুনির্দিষ্ট