পেট্রল-ডিজেল নয়, হুইস্কি হবে জ্বালানি, চলবে গাড়ি!

নিত্যজীবনে গাড়ির বিকল্প আর কী-ই বা হতে পারে। হেঁটে বা সাইকেলে তো আর বিশ্বভ্রমণ করা যায় না। অবশ্য বিশ্বভ্রমণের কথা বাদ দিলেও কম-বেশি দূরত্বে যাওয়ার জন্য আমরা গাড়ির ওপরই নির্ভরশীল। কিন্তু সমস্যা হলো, গাড়ির জ্বালানি নিয়ে। পেট্রল-ডিজেলের মতো যে পদার্থগুলি আমরা জ্বালানি হিসেবে ব্যবহার করি, বিশ্বে তার ভাণ্ডার অফুরন্ত নয়। এর বিকল্প বের করতে দীর্ঘদিন ধরেই গবেষণা চলছে।

এরই মধ্যে জ্বালানি হিসেবে ইথানল, এলপিজি গ্যাস, বায়ো ডিজেল, বিদ্যুৎ এবং হাইড্রোজেনের নাম উঠে এসেছে। কিন্তু অতটাও জনপ্রিয় হয়নি। তবে‌ একটি আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত খবর অনুযায়ী সম্প্রতি জানা গেল, এবার গাড়ি চলবে হুইস্কির কল্যাণে!

বিষয়টির নেপথ্যে রয়েছেন স্কটল্যান্ডের এডিনবর্গ বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকরা। তাঁরা জানিয়েছেন, হুইস্কি বানানোর পর ফেলে দেওয়া হয় অনেক কিছু। হুইস্কির বর্জ্যাংশ দিয়েই এমন এক জ্বালানি প্রস্তুত করা হয়েছে, যা পেট্রল, ডিজেলের পরিবর্ত হয়ে উঠবে। এমনকি পুনর্ব্যবহারযোগ্য শক্তির ক্ষেত্রেও এটি পথ দেখাবে।

আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের দাবি, হুইস্কির বাতিল অংশ দিয়ে তৈরি এই জ্বালানির গাড়ি ২০১৯ থেকে পুরোদমে রাস্তায় নামবে। উল্লেখ্য, বিদ্যুৎচালিত বহু গাড়িই পথে নেমেছে ইদানীং। তবে দামের কারণে এই গাড়ি কিনতে অনেকেই পিছপা হন বলে জানা গিয়েছে। সেই দিক থেকেই এগুলির বিকল্প হিসাবে নাম উঠে আসছে হুইস্কির বর্জ্য পদার্থ থেকে তৈরি একটি তরল জ্বালানি। এর নাম বায়োবুটানল। কার্যকারিতায় পেট্রল ও ডিজেলের সঙ্গে এর তেমন কোনো তফাৎ নেই।

স্কটল্যান্ডে প্রতিবছর হুইস্কি থেকে ৭.৫ লাখ টন বর্জ্য বের হয়। এই বিপুল পরিমাণ বাতিল সামগ্রী এতদিন কোনো কাজে আসত না। তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন এবার সেই বর্জ্য পদার্থ কাজে লাগানো সম্ভব হবে। এডিনবর্গ বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসে এর মধ্যেই তারা বায়োবুটানলচালিত গাড়ি চালিয়ে দেখেছেন।

You may also like

ফোনালাপ বিকৃতভাবে আংশিক প্রচার হয়েছে: নূর

ডাকসু ভিপি নুরুল হক নুরের দাবি, তার ফোনালাপ