নিজেদের মাঠেই বিশ্বকাপ বাছাই ম্যাচ আয়োজনে আগ্রহী বাংলাদেশ

করোনাভাইরাসের কারণে স্থগিত থাকা বাংলাদেশের বিশ্বকাপ বাছাইয়ের তিনটি ম্যাচই ঘরের মাঠে। তবে এখন হঠাৎ করে কাতার ও ওমানের মাঠে গিয়ে ম্যাচগুলো খেলার প্রস্তাব এসেছে। দেশ দু’টি থেকে আসা প্রস্তাবে অবশ্য সাড়া দিচ্ছে না বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন (বাফুফে)। নিজেদের মাঠেই ম্যাচ আয়োজনে আগ্রহী বাংলাদেশ।

প্রাণঘাতী ভাইরাসের প্রকোপে গত বছর দুই দফা তারিখ দিয়েও হয়নি বিশ্বকাপ ও এশিয়ান কাপের বাছাই পর্ব। প্রথমবার মার্চে ও পরেরবার অক্টোবরে বাংলাদেশ দলকে বাকি ম্যাচগুলো খেলতে হতো। কিন্তু আগের নির্দিষ্ট সময়নুযায়ী তা সম্ভব না হওয়ায় আগামী মার্চে নতুন করে খেলতে হবে জেমি ডে’র দলকে। তিন ম্যাচে বাংলাদেশের প্রতিপক্ষ ওমান, ভারত ও আফগানিস্তান। আগামী ২৪, ২৭ ও ৩০ মার্চ তিনটি ম্যাচ ওমানের মাঠে খেলার প্রস্তাব এসেছে। আর ওমানে খেলা সম্ভব না হলে বিকল্প ভেন্যু হিসেবে কাতার রয়েছে।

করোনা পরিস্থিতির কারণে দু’টি দেশ থেকে আসা প্রস্তাব নিয়ে বুধবার জাতীয় টিমস কমিটি সভা করেছে। সেখানে সিদ্ধান্ত হয়েছে ওমান বা কাতারে নয়, নিজেদের মাঠেই বিশ্বকাপের ম্যাচ খেলবে বাংলাদেশ। সভা শেষে বাফুফের সহ-সভাপতি ও জাতীয় টিমস কমিটির চেয়ারম্যান কাজী নাবিল আহমেদ বলেছেন, ‘আমরা তাদের প্রস্তাবের জন্য ধন্যবাদ জানিয়ে দিচ্ছি। বর্তমানে যে ফিক্সচার আছে সেই অনুযায়ী আমরা আমাদের ম্যাচগুলো বাংলাদেশেই খেলতে আগ্রহী এবং যে তারিখ দেওয়া আছে সেটা অনুসারে। তবে ফিফা বা এএফসি যদি কোনও সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে সেটা ভিন্ন কথা। আমরা হোমের সুবিধা নিতে চাই।’ এরপর এই সংগঠক যোগ করেন, ‘মূলত প্রস্তাবটা দেয় ওমান। তবে ওমানের হয়ে কাতারও প্রস্তাব দিয়েছে। ওমানে কোনও কারণে খেলাগুলো করতে না পারলে সেটা কাতার করতে আগ্রহী। আমরা দেখেছি ভারত ও আফগানিস্তানের হোম ভেন্যু দেওয়া নেই। বাংলাদেশের হোম ভেন্যু সিলেটে। আমরা সেখানেই তিনটি ম্যাচ খেলতে চাই।’ বর্তমান করোনা পরিস্থিতির কারণে এমন প্রস্তাব এসেছে উল্লেখ করে কাজী নাবিল বলেছেন, ‘কোভিড সিচুয়েশনের কারণে মূলত এই প্রস্তাব এসেছে। অন্য দেশগুলো মনে করছে, বিভিন্ন দেশে গিয়ে খেলার চেয়ে কোয়ারেন্টিন সময়, স্বাস্থ্য ঝুঁকি, অনুশীলনের সময় সবকিছু সাশ্রয় করার জন্য এক জায়গায় গিয়ে সবাই যদি খেলে তাহলে দ্রুত ম্যাচগুলো শেষ হয়ে যাবে। একটা দেশের যদি তিনটা জায়গায় যাওয়া লাগে তাহলে প্রতি জায়গায় কোয়ারেন্টিন করা লাগবে। এটা কঠিন হতে পারে।’

You may also like

মতলব উত্তর উপজেলার ৭টি স্পটে ১৪৪ ধারা

চাঁদপুর জেলার মতলব উত্তর উপজেলার ৭টি স্থানে ১৪৪